রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে লাশ উত্তোলনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইমসিন ইউনিট গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কবরস্থান পরিদর্শন করে। শিগগিরই লাশ উত্তোলন করে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ এবং ময়নাতদন্ত শুরু হবে।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) জসীম উদ্দিন খান জানান, লাশ উত্তোলনের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নির্ধারণ করতে কয়েকদিন ধরেই সিআইডির দল কবরস্থানে যাচ্ছে। লাশ উত্তোলন শুরু করার আগে বিষয়টি জানাতে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হবে।
সূত্র জানায়, কবরস্থানে সিআইডির তাবু স্থাপন করা হচ্ছে। লাশ উত্তোলনের পর ময়নাতদন্ত এবং পরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় এক মাস বা তার বেশি সময় লাগতে পারে। সহায়তার জন্য বিদেশ থেকে প্রথম সারির ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ দল আনা হবে।
জুলাই আন্দোলনে নিহত ১১৪ জনকে রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। তাদের দাফনের স্থানটি সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বিশেষভাবে মার্বেল পাথর ও টাইলস দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে গত ৪ আগস্ট ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান শহীদদের পরিচয় শনাক্ত করতে লাশ তোলার অনুমতি দেন।
প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায়, রায়েরবাজার কবরস্থানে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে লাশ উত্তোলন এবং ফরেনসিক প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হবে, যা বহু বছর ধরে অজ্ঞাত থাকা শহীদদের পরিচয় নির্ধারণের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
মো. লিমন 








