Hi

০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে অটোরিকশা চালকের বসত ঘর

ভোলার লালমোহন উপজেলায় আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে মো. ইউসুফ নামে এক অটোরিকশা চালকের বসতঘর। মঙ্গলবার সকালে পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের মফিজ উদ্দিন হাওলাদার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডে সূত্রপাত বলে ধারণা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।

অটোরিকশা চালক মো. ইউসুফ বলেন, প্রতিদিনের মতো আজও সকাল বেলা অটোরিকশা নিয়ে বের হই। হঠাৎ এলাকা থেকে ফোন করে জানানো হয় আমার বসতঘরে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে এসে দেখি সবকিছু পুড়ে গেছে। ঘরের ভেতর থাকা কোনো কিছুই রক্ষা করা যায়নি। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে টিনশেড এই বসতঘরটিতেই থাকতাম। গত এক বছর আগে ঘরটি নির্মাণ করেছি। আজ ঘরটি আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে। এতে আমার অন্তত ৬ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। অটোরিকশা চালিয়ে সামান্য আয় করি। এই আয় দিয়ে কিভাবে নতুন করে আবার ঘরটি নির্মাণ করবো তা নিয়েই এখন চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছি।
লালমোহন উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আধা ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুনে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি।
অপরদিকে খবর পেয়ে লালমোহন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশা চালকের বসতঘর পরিদর্শন করেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পলাশ সমাদ্দার। তারা তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশা চালককে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেন।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্যটি সংরক্ষন করুন

যাচাইকারীর নাম

jatioaparadh aparadh

জনপ্রিয় সংবাদ

আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে অটোরিকশা চালকের বসত ঘর

আপডেট সময় : ০৭:৩২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

ভোলার লালমোহন উপজেলায় আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে মো. ইউসুফ নামে এক অটোরিকশা চালকের বসতঘর। মঙ্গলবার সকালে পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের মফিজ উদ্দিন হাওলাদার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডে সূত্রপাত বলে ধারণা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।

অটোরিকশা চালক মো. ইউসুফ বলেন, প্রতিদিনের মতো আজও সকাল বেলা অটোরিকশা নিয়ে বের হই। হঠাৎ এলাকা থেকে ফোন করে জানানো হয় আমার বসতঘরে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে এসে দেখি সবকিছু পুড়ে গেছে। ঘরের ভেতর থাকা কোনো কিছুই রক্ষা করা যায়নি। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে টিনশেড এই বসতঘরটিতেই থাকতাম। গত এক বছর আগে ঘরটি নির্মাণ করেছি। আজ ঘরটি আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে। এতে আমার অন্তত ৬ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। অটোরিকশা চালিয়ে সামান্য আয় করি। এই আয় দিয়ে কিভাবে নতুন করে আবার ঘরটি নির্মাণ করবো তা নিয়েই এখন চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছি।
লালমোহন উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আধা ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুনে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি।
অপরদিকে খবর পেয়ে লালমোহন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশা চালকের বসতঘর পরিদর্শন করেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পলাশ সমাদ্দার। তারা তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশা চালককে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেন।