অন্যান্য দিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। রান্নার কাজ ব্যাহত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি শুক্রবার ভোর পর্যন্ত চলতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস জানায়, এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলায় সেখান থেকে পাওয়া গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। এর ফলেই তিতাসের আওতাভুক্ত সব অঞ্চলে সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ কমে গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই ঘাটতি আগামী ২১ নভেম্বর ভোর ৬টা পর্যন্ত থাকতে পারে এবং গ্রাহকদের যে অসুবিধা হচ্ছে তার জন্য তিতাস আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।
প্রতিদিন সকালেই যে সময়ে ঘরোয়া রান্নার চাহিদা সবচেয়ে বেশি, ঠিক তখন থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের সংকট গুরুতর আকার ধারণ করে। মোহাম্মদপুরের গৃহিণী রাজিয়া সুলতানা জানান, সকাল থেকে চুলা জ্বালানোই সম্ভব হয়নি। নাস্তা তৈরির উপায় না থাকায় বাইরে থেকে কিনতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।
খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা রায়হান রহমান বলেন, প্রতিদিন সকালে বাসা থেকে সবাই নাস্তা খেয়ে বের হন। কিন্তু বৃহস্পতিবার গ্যাস না থাকায় বাসার সবাইকে না খেয়ে বের হতে হয়েছে, যা খুবই ভোগান্তির।
একই অভিজ্ঞতার কথা জানান কাজীপাড়ার বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী শারমিন সুলতানা। তিনি বলেন, ‘অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ গ্যাসের চাপ অনেক কম ছিল। বারবার চেষ্টা করেও রান্না করা যায়নি। শেষ পর্যন্ত নাস্তা না করেই বের হতে হয়েছে।’
রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হলে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে সরবরাহ ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিতাস কর্মকর্তারা।
মো. লিমন 








