ঢাকার ধামরাইয়ে ভূমিকম্পের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) রবিবার (২৩ নভেম্বর) থেকে ১৫ দিন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে হল ছাড়তে শুরু করেছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, একে একে সব হল থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেরা জিনিসপত্র নিয়ে বের হয়ে যাচ্ছেন।
এর আগে শনিবার (২২ নভেম্বর) ঢাবির প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ জানান, রবিবার বিকাল ৫টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে হবে। হলগুলো ঠিকঠাক করে পরে বিশ্ববিদ্যালয় পুনরায় চালু করা হবে। তিনি বলেন, হলের রুমে রুমে গিয়ে ড্যামেজ অ্যাসেস করতে হবে। ইঞ্জিনিয়াররা বলেছিলেন, চার সপ্তাহ বন্ধ রাখতে হবে, তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সারা দেশে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় অন্তত ১০ জন মারা যান এবং কয়েকশ’ মানুষ আহত হন। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী।
এরপর শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ৩ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে আরও একটি কম্পন ঘটে, যার মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৭ এবং উৎপত্তি স্থল ছিল রাজধানীর বাড্ডা। আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, প্রায় একই সময়ে এক সেকেন্ড ব্যবধানে আরও একটি কম্পন হয়, যার মাত্রা ৪ দশমিক ৩ এবং উৎপত্তি স্থল ছিল নরসিংদী।
ঢাবির হলগুলো বন্ধ রাখার উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবনগুলোতে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।
মো. লিমন 








