Hi

১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজউকের নতুন ফি কাঠামোতে নির্মাণ ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা

  • মো. লিমন
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮৯ জন দেখেছে

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন, সময় বৃদ্ধি এবং ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্রের ফি সর্বোচ্চ পাঁচগুণ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। ‘ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-২০০৮’ সংশোধনের অংশ হিসেবে এই হার বাড়ানো হচ্ছে। প্রস্তাবিত ‘কনস্ট্রাকশন রুলস ২০২৫’ কার্যকর হলে ব্যক্তিপর্যায়ের বাড়ি নির্মাণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

গত ১৮ নভেম্বর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় রাজউকের প্রস্তাব অনুযায়ী সংশোধিত ফি অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায়। বর্তমান আর্থসামাজিক অবস্থা এবং কর-বহির্ভূত রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।

প্রস্তাবে নকশা অনুমোদন, মেয়াদ বৃদ্ধি ও ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্রের ফি ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে—অর্থাৎ পাঁচগুণ বৃদ্ধি। এছাড়া বহুনিবাসী (মাল্টি ইউনিট) আবাসিক ভবন নির্মাণ আবেদনে প্রতি কাঠায় নতুনভাবে ৫ হাজার টাকা ফি আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

রাজউকের এক কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাব অনুমোদিত হলে ৫ কাঠার ওপর দুই ইউনিটের ১০ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণে নকশা ও অন্যান্য অনুমোদন খাতে খরচ বর্তমানে তুলনায় আরও ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।

নতুন বিধিমালায় জমির পরিমাণের পাশাপাশি ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী ফিও নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত হারে ভবনের শ্রেণি ও ব্যবহার অনুযায়ী প্রতি বর্গমিটার মেঝের ফি সর্বনিম্ন ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা। আবাসিক ভবনকে ৬টি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ৩টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।

পাহাড় কাটার অনুমোদন ফি ৩০ হাজার টাকা, পুকুর খনন ফি ১০ হাজার টাকা এবং ব্যবহার উপযোগিতা সনদপত্র ও নবায়ন ফি ১ হাজার টাকা আগের মতোই রাখা হয়েছে। তবে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডার মতো ধর্মীয় উপাসনালয় নির্মাণে কোনো অনুমোদন ফি দিতে হবে না।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্যটি সংরক্ষন করুন

যাচাইকারীর নাম

jatioaparadh aparadh

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজউকের নতুন ফি কাঠামোতে নির্মাণ ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৫:৩০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন, সময় বৃদ্ধি এবং ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্রের ফি সর্বোচ্চ পাঁচগুণ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। ‘ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-২০০৮’ সংশোধনের অংশ হিসেবে এই হার বাড়ানো হচ্ছে। প্রস্তাবিত ‘কনস্ট্রাকশন রুলস ২০২৫’ কার্যকর হলে ব্যক্তিপর্যায়ের বাড়ি নির্মাণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

গত ১৮ নভেম্বর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় রাজউকের প্রস্তাব অনুযায়ী সংশোধিত ফি অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায়। বর্তমান আর্থসামাজিক অবস্থা এবং কর-বহির্ভূত রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।

প্রস্তাবে নকশা অনুমোদন, মেয়াদ বৃদ্ধি ও ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্রের ফি ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে—অর্থাৎ পাঁচগুণ বৃদ্ধি। এছাড়া বহুনিবাসী (মাল্টি ইউনিট) আবাসিক ভবন নির্মাণ আবেদনে প্রতি কাঠায় নতুনভাবে ৫ হাজার টাকা ফি আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

রাজউকের এক কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাব অনুমোদিত হলে ৫ কাঠার ওপর দুই ইউনিটের ১০ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণে নকশা ও অন্যান্য অনুমোদন খাতে খরচ বর্তমানে তুলনায় আরও ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।

নতুন বিধিমালায় জমির পরিমাণের পাশাপাশি ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী ফিও নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত হারে ভবনের শ্রেণি ও ব্যবহার অনুযায়ী প্রতি বর্গমিটার মেঝের ফি সর্বনিম্ন ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা। আবাসিক ভবনকে ৬টি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ৩টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।

পাহাড় কাটার অনুমোদন ফি ৩০ হাজার টাকা, পুকুর খনন ফি ১০ হাজার টাকা এবং ব্যবহার উপযোগিতা সনদপত্র ও নবায়ন ফি ১ হাজার টাকা আগের মতোই রাখা হয়েছে। তবে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডার মতো ধর্মীয় উপাসনালয় নির্মাণে কোনো অনুমোদন ফি দিতে হবে না।