ঢাকায় সন্ধ্যায় দোয়া মাহফিল এবং বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন, বর্তমান অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া’র চিকিৎসার পারিপার্শ্বিকতা ছাড়া তার ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা সম্ভব নয়। বুধবার (২ ডিসেম্বর) এ তথ্য ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল।
মির্জা ফখরুল বলেছেন, “চিকিৎসক বোর্ড দেখবে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিদেশে যাওয়ার মতো হলে, সেই সিদ্ধান্ত নেব। যদি অবস্থা অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে তারেক শিগগিরই দেশে ফিরবেন।”
তিনি আরও জানিয়েছেন, এ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক বিষয়। তারেকের দেশে ফেরা বা না ফেরা– তা বিএনপির রাজনীতির পরিবর্তন কিংবা নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ নয়।
এর আগে শনিবার তারেক নিজেই একটি ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, মায়ের জন্য তার মর্মান্তিক আগ্রহ আছে, কিন্তু দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একমাত্র তার কন্ট্রোলে নেই। তিনি বলেছিলেন, “রাজনৈতিক বাস্তবতা উপযুক্ত পর্যায়ে এলে” দেশে ফিরবেন।
কয়েক দিন আগে বিদেশ থেকে দুই দলের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল ঢাকায় এসে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার অংশ হয়েছেন। তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী যদি বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে তারেকের দেশে ফেরার পথ প্রস্তুত রাখা হবে। সরকারিভাবে তারেককে ফেরার জন্য কোনো বাধা নেই। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা দূতাবাস থেকে প্রয়োজনীয় ভ্রমণ পাস দ্রুত দেওয়া যাবে, যদি তারেক ফিরতে চান।
বর্তমানে খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দীর্ঘ দিন ধরেই হৃদরোগ, কিডনি, লিভার–সহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রে সংক্রমণ ধরা পড়লে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, তারা সক্রিয়ভাবে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা–ব্যবস্থা দেখছেন এবং দ্রুত উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছেন যাতে রাজনৈতিক ও পারিবারিক উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও নিরাপত্তা বজায় থাকে।
জাতীয় অপরাধ প্রতিরোধ প্রতিবেদন 








