বয়স মাত্র ১৭, কিন্তু ইউরোপিয়ান ফুটবল বিশ্বে লেনার্ট কার্ল ইতিমধ্যেই আলোচনায় চলে এসেছেন। বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, এবং সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন নিজেই গত রাতে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে স্পোর্টিং লিসবনের বিপক্ষে ৩-১ গোল জয়ে বায়ার্ন মিউনিখের বড় ভরসা ছিলেন এই কিশোর ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের শুরুতেই বায়ার্ন গোল পেয়েছিল, যেখানে কার্ল বল নিয়ন্ত্রণ করে শট দেন, কিন্তু সেই গোল বাতিল হয় সামান্য অফসাইডের কারণে। প্রথমার্ধে আরও কিছু সুযোগ তৈরি হলেও রুই সিলভা তার শট থামান।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে স্পোর্টিং চমক দেখায়। বাম দিক দিয়ে আক্রমণ করে জোয়াও সিমোয়েস ক্রস পাঠান। কিমিখ ব্লক করতে গিয়ে ভুল করে নিজ জালে বল জড়িয়ে দেন। তবে মাত্র দশ মিনিটের মধ্যেই সমতায় ফেরে বায়ার্ন। মাইকেল অলিসের কর্নার থেকে গেনাব্রি গোল করেন, চার মিনিট পর আবারও গোল করেন লেনার্ট কার্ল। বক্সে বল পেয়েই প্রথমে বাম পায়ে নিয়ন্ত্রণ নেন, পরে ডান পায়ে জোরালো শটে বল জালে পাঠান।
এরপর বায়ার্নের আক্রমণ অব্যাহত থাকে। কিমিখ দূর থেকে নিখুঁত পাস দেন, ওলিস মাথা ছুঁইয়ে বিপজ্জনক এলাকায় বল পাঠান, সেখানে ফাঁকায় থাকা টা সহজেই জালে পাঠান।
কার্লের গোল ছিল বায়ার্নের প্রথমবার এগিয়ে যাওয়ার কারণ। সেই গোলের মাধ্যমে তিনি ইতিহাসও গড়েছেন। মাত্র ১৭ বছর ২৯০ দিনে তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে টানা তিন ম্যাচে গোল করা খেলোয়াড় হয়েছেন। এই রেকর্ড আগে ছিল কিলিয়ান এমবাপ্পের হাতে, যিনি ১৮ বছর ১১৩ দিনে এই রেকর্ড করেছিলেন। তবে এবার তা কেড়ে নিয়েছেন কার্ল। একই রাতে এমবাপ্পের আরেকটি রেকর্ড ভেঙে গিয়েছিল লামিন ইয়ামালের মাধ্যমে।
লেনার্ট কার্লের নৈপুণ্য এবং ম্যাচে অবদান স্পষ্ট করেছে, বয়স শুধু সংখ্যা, প্রতিভা এবং সময়োপযোগী সুযোগে তা ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারে।
স্পোর্টস ডেস্ক 








