Hi

০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাজিদের দাফনে মিলিত হলেন হাজারো মানুষ, অশ্রুসিক্ত বিদায়

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে নিহত শিশু সাজিদকে (২) শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে দাফন করা হয়েছে। তার গ্রামের কোয়েলহাটে নিজ বাড়ির পাশে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন এলাকার হাজারো মানুষ। জানাজা পড়ান স্থানীয় মাওলানা কাজী মিজানুর রহমান। এ সময় বক্তারা সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন যাতে ভবিষ্যতে এমন অবহেলাজনিত দুর্ঘটনা না ঘটে।

সাজিদ গত বুধবার দুপুরে মায়ের সঙ্গে মাঠে গিয়ে গভীর গর্তে পড়ে যায়। খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয় বেলা আড়াইটার দিকে। ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট একে একে উদ্ধার কাজে যোগ দেয়। সঙ্গে ছিলেন পুলিশ, সেনাবাহিনী, প্রশাসন ও স্থানীয়রা। ৩২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা সাজিদকে মৃত ঘোষণা করেন।

সাজিদের বাবা রাকিবুল ইসলাম জানাজার আগে বলেন, “অন্যের অবহেলার জন্য ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।” তিনি আরও সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তানোরের ওই এলাকায় পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় গভীর নলকূপ বসানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তার পরও ওই গ্রামের এক ব্যক্তি জমিতে পানি পাওয়ার আশায় গর্তটি খুঁজেছিলেন। পানি না পাওয়ায় মুখটি ভরাট করা হয়, কিন্তু বর্ষার সময়ে মাটি দিয়ে নতুন করে গর্তের সৃষ্টি হয়। সেখানেই পড়ে শিশুটির মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্যটি সংরক্ষন করুন

যাচাইকারীর নাম

jatioaparadh aparadh

জনপ্রিয় সংবাদ

সাজিদের দাফনে মিলিত হলেন হাজারো মানুষ, অশ্রুসিক্ত বিদায়

আপডেট সময় : ১২:২৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে নিহত শিশু সাজিদকে (২) শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে দাফন করা হয়েছে। তার গ্রামের কোয়েলহাটে নিজ বাড়ির পাশে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন এলাকার হাজারো মানুষ। জানাজা পড়ান স্থানীয় মাওলানা কাজী মিজানুর রহমান। এ সময় বক্তারা সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন যাতে ভবিষ্যতে এমন অবহেলাজনিত দুর্ঘটনা না ঘটে।

সাজিদ গত বুধবার দুপুরে মায়ের সঙ্গে মাঠে গিয়ে গভীর গর্তে পড়ে যায়। খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয় বেলা আড়াইটার দিকে। ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট একে একে উদ্ধার কাজে যোগ দেয়। সঙ্গে ছিলেন পুলিশ, সেনাবাহিনী, প্রশাসন ও স্থানীয়রা। ৩২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা সাজিদকে মৃত ঘোষণা করেন।

সাজিদের বাবা রাকিবুল ইসলাম জানাজার আগে বলেন, “অন্যের অবহেলার জন্য ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।” তিনি আরও সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তানোরের ওই এলাকায় পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় গভীর নলকূপ বসানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তার পরও ওই গ্রামের এক ব্যক্তি জমিতে পানি পাওয়ার আশায় গর্তটি খুঁজেছিলেন। পানি না পাওয়ায় মুখটি ভরাট করা হয়, কিন্তু বর্ষার সময়ে মাটি দিয়ে নতুন করে গর্তের সৃষ্টি হয়। সেখানেই পড়ে শিশুটির মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।