রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্দোলনরত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে রবিবার (৯ নভেম্বর) রাতে বৈঠকে বসছেন অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
রবিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (কাসেম-শাহীন) সভাপতি প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাসেম, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (শাহিন-লিপি) সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি, বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শামছুদ্দিন মাসুদ এবং দশম গ্রেড বাস্তবায়ন সমন্বয়ক মু. মাহবুবুর রহমান বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শামছুদ্দিন মাসুদ বলেন, “দুই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের তিন দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হবে। বৈঠক শেষে শিক্ষক সমাজের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে।”
তিনি আরও জানান, “আজ ১১টি শিক্ষক সংগঠন আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছে। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদও জানানো হয়েছে।”
অন্যদিকে, তৃতীয় ধাপে সুপারিশ পাওয়া সহকারী শিক্ষক মো. মহিব বুল্লাহ জানান, “আমরা শিক্ষকরা শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচিতে রয়েছি। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।”
শিক্ষকরা জানিয়েছেন, রবিবার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে বিকেলে শহীদ মিনারে মুখে কালো কাপড় বেঁধে পুলিশি হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। একই সঙ্গে সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
এর আগে বিকেল পৌনে চারটার দিকে শহীদ মিনারে ‘কাফনের কাপড় হাতে’ শপথ নেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা—
“দশম গ্রেড এবং শতভাগ পদোন্নতি বাস্তবায়ন ছাড়া ফিরে যাবেন না।”
প্রসঙ্গত, দশম গ্রেডসহ তিন দফা দাবিতে শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। শিক্ষক জোট ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর নেতৃত্বে এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের নেতারা, যাদের মধ্যে রয়েছেন—
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (কাসেম-শাহীন) সভাপতি মো. আবুল কাসেম, সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি, কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শামছুদ্দিন মাসুদ, দশম গ্রেড বাস্তবায়ন সমন্বয়ক মু. মাহবুবুর রহমান এবং অন্যতম সমন্বয়ক মোহাম্মদ আনোয়ার উল্যা।
শিক্ষক মো. মহিব বুল্লাহ বলেন, “আমরা সবাই এই আন্দোলনে সক্রিয়। সরকারের কাছ থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে।”
মো. লিমন 














