Hi

১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই নিয়ে অনিশ্চয়তা, জানুয়ারিতেই দেওয়া হবে দাবি এনসিটিবির

  • মো. লিমন
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮১ জন দেখেছে

মাধ্যমিক স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপা নিয়ে কিছুটা সমস্যা থাকলেও আগামী জানুয়ারিতে সব শিক্ষার্থী পাঠ্যবই হাতে পাবেন বলে দাবি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। তবে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির (বিএমএসএস) নেতারা বলছেন, সরকারের আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টা থাকলে জানুয়ারিতে পাঠ্যবই দেওয়া সম্ভব হবে, অন্যথায় সব বই সময়মতো পৌঁছানো সম্ভব হবে না।

এনসিটিবি জানায়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির বই ছাপার জন্য ৪ মে প্রথম টেন্ডার আহ্বান করা হয়। অন্যান্য শ্রেণির বইও পর্যায়ক্রমে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। তবে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা অনুমোদনের কারণে কিছু লট পুনঃদরপত্রে যায়, যার ফলে সময় নষ্ট হয়েছে।

বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাবেক সভাপতি তোফায়েল খান বলেন, ‘মাধ্যমিক স্তরে কিছু সমস্যা আছে। প্রাথমিক স্তরের বই ছোট, তাই দ্রুত ছাপা সম্ভব। তবে মাধ্যমিকের বই ছাপা ও সরবরাহ সময়সাপেক্ষ। সরকারের আন্তরিকতা থাকলে জানুয়ারিতে সব বই শিক্ষার্থীদের পৌঁছানো সম্ভব।’

এনসিটিবির উৎপাদন নিয়ন্ত্রক আবু নাসের টুকু জানান, ‘নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই ছাপা শেষ হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। জানুয়ারিতে সব বই শিক্ষার্থীরা হাতে পাবেন।’

মাধ্যমিক স্তরের বই ছাপা প্রসঙ্গে বিতরণ নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মতিউর রহমান খান পাঠান জানান, ‘নবম শ্রেণির বই ছাপা শুরু হয়েছে। ৯৭টি প্রেসের মধ্যে ৯২টি কাজ শুরু করেছে। সমস্যার মোকাবিলা করে ৩০ দিনের মধ্যে বই সরবরাহ করা সম্ভব হবে। কিছু লটে যোগ্য বিডার না পাওয়ায় পুনঃদরপত্র হয়েছে, তবে দ্রুত কার্যক্রম শুরু হবে।’

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য এনসিটিবি মোট প্রায় ৩০ কোটির বেশি পাঠ্যবই ছাপার কার্যক্রম করছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের জন্য প্রায় ৮ কোটি ৪৯ লাখ, মাধ্যমিক স্তরে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির জন্য প্রায় ২১ কোটি ৪০ লাখ এবং ইবতেদায়ি মাদ্রাসার বইও অন্তর্ভুক্ত।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্যটি সংরক্ষন করুন

যাচাইকারীর নাম

jatioaparadh aparadh

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই নিয়ে অনিশ্চয়তা, জানুয়ারিতেই দেওয়া হবে দাবি এনসিটিবির

আপডেট সময় : ০৫:২২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

মাধ্যমিক স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপা নিয়ে কিছুটা সমস্যা থাকলেও আগামী জানুয়ারিতে সব শিক্ষার্থী পাঠ্যবই হাতে পাবেন বলে দাবি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। তবে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির (বিএমএসএস) নেতারা বলছেন, সরকারের আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টা থাকলে জানুয়ারিতে পাঠ্যবই দেওয়া সম্ভব হবে, অন্যথায় সব বই সময়মতো পৌঁছানো সম্ভব হবে না।

এনসিটিবি জানায়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির বই ছাপার জন্য ৪ মে প্রথম টেন্ডার আহ্বান করা হয়। অন্যান্য শ্রেণির বইও পর্যায়ক্রমে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। তবে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা অনুমোদনের কারণে কিছু লট পুনঃদরপত্রে যায়, যার ফলে সময় নষ্ট হয়েছে।

বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাবেক সভাপতি তোফায়েল খান বলেন, ‘মাধ্যমিক স্তরে কিছু সমস্যা আছে। প্রাথমিক স্তরের বই ছোট, তাই দ্রুত ছাপা সম্ভব। তবে মাধ্যমিকের বই ছাপা ও সরবরাহ সময়সাপেক্ষ। সরকারের আন্তরিকতা থাকলে জানুয়ারিতে সব বই শিক্ষার্থীদের পৌঁছানো সম্ভব।’

এনসিটিবির উৎপাদন নিয়ন্ত্রক আবু নাসের টুকু জানান, ‘নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই ছাপা শেষ হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। জানুয়ারিতে সব বই শিক্ষার্থীরা হাতে পাবেন।’

মাধ্যমিক স্তরের বই ছাপা প্রসঙ্গে বিতরণ নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মতিউর রহমান খান পাঠান জানান, ‘নবম শ্রেণির বই ছাপা শুরু হয়েছে। ৯৭টি প্রেসের মধ্যে ৯২টি কাজ শুরু করেছে। সমস্যার মোকাবিলা করে ৩০ দিনের মধ্যে বই সরবরাহ করা সম্ভব হবে। কিছু লটে যোগ্য বিডার না পাওয়ায় পুনঃদরপত্র হয়েছে, তবে দ্রুত কার্যক্রম শুরু হবে।’

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য এনসিটিবি মোট প্রায় ৩০ কোটির বেশি পাঠ্যবই ছাপার কার্যক্রম করছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের জন্য প্রায় ৮ কোটি ৪৯ লাখ, মাধ্যমিক স্তরে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির জন্য প্রায় ২১ কোটি ৪০ লাখ এবং ইবতেদায়ি মাদ্রাসার বইও অন্তর্ভুক্ত।