Hi

০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: কয়েকটি মধ্যপ্রাচ্য দেশ গাজায় সৈন্য পাঠাতে প্রস্তাব দিয়েছে দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গাজায় সেনা পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) নিজের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া একবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন এবং সংঘাতবিরতির মাঝেই হামাসকে নতুনভাবে সতর্ক করে দেন।

ট্রাম্প বলেন, তার অনুরোধে “আমাদের মহান মিত্ররা” অত্যন্ত উৎসাহ নিয়ে গাজায় শক্তিশালী বাহিনী পাঠানোর সম্ভাব্যতা স্বাগত জানিয়েছে। যদি হামাস “খারাপ আচরণ” বন্ধ না করে এবং পূর্ববর্তী শর্তভঙ্গ করে, তাহলে ওই বাহিনী হামাসকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে দমন করবে — এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প কোনো দেশের নাম নির্দিষ্ট করে বলেননি; তবে তিনি ইন্দোনেশিয়ার উল্লেখ করেছেন এবং ওই দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, কিছু দেশই শুরু থেকেই গাজায় সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়ার কথা নিশ্চিত করেনি; বরং তারা নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য শান্তিরক্ষা বা সহায়তামূলক তৎপরতার প্রস্তাব দেয়া থাকতে পারে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়া এবং অন্যান্য অঞ্চলগুলো গাজায় “সহায়তা” পাঠাতে ইচ্ছুক।

ট্রাম্পের পোস্টে আরো বলা হয়েছে, তিনি অঞ্চলের দেশগুলোর প্রতি উচ্চ প্রত্যাশা ও সমর্থনের কথা শুনছেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে হামাস সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে; তা না হলে তাঁর ভাষায় হামাসের পতন “দ্রুত, ক্ষিপ্ত ও নির্মম” হবে।

উল্লেখ্য, ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে এক সংঘাতবিরতি কার্যকর হয়। তবে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় সহিংসতা-ঘটনা বিভিন্নবার পুনরাবৃত্তি হয়েছে এবং এহেন ঘটনার ফলে হতাহতের খবরও পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠী ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিনিধি গাজায় সম্প্রতি কর্মযজ্ঞকে অধিক মাত্রায় হারে প্রাণ-হানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বসেছেন।

ট্রাম্প প্রায়ই হামাসকে হুঁশিয়ারি দেন; তবু প্রশ্ন থেকে যায় — যুক্তরাষ্ট্র বা ভূ-রাজনৈতিক কোন শক্তি এমন কোন সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ নিতে পারবে কিনা, যা ইতিমধ্যে সীমিত মিশনে অহর্নিশ কাজ করে আসা ইসরাইল করতে পারেনি।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্যটি সংরক্ষন করুন

যাচাইকারীর নাম

jatioaparadh aparadh

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: কয়েকটি মধ্যপ্রাচ্য দেশ গাজায় সৈন্য পাঠাতে প্রস্তাব দিয়েছে দাবি

আপডেট সময় : ১০:৫২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গাজায় সেনা পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) নিজের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া একবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন এবং সংঘাতবিরতির মাঝেই হামাসকে নতুনভাবে সতর্ক করে দেন।

ট্রাম্প বলেন, তার অনুরোধে “আমাদের মহান মিত্ররা” অত্যন্ত উৎসাহ নিয়ে গাজায় শক্তিশালী বাহিনী পাঠানোর সম্ভাব্যতা স্বাগত জানিয়েছে। যদি হামাস “খারাপ আচরণ” বন্ধ না করে এবং পূর্ববর্তী শর্তভঙ্গ করে, তাহলে ওই বাহিনী হামাসকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে দমন করবে — এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প কোনো দেশের নাম নির্দিষ্ট করে বলেননি; তবে তিনি ইন্দোনেশিয়ার উল্লেখ করেছেন এবং ওই দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, কিছু দেশই শুরু থেকেই গাজায় সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়ার কথা নিশ্চিত করেনি; বরং তারা নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য শান্তিরক্ষা বা সহায়তামূলক তৎপরতার প্রস্তাব দেয়া থাকতে পারে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়া এবং অন্যান্য অঞ্চলগুলো গাজায় “সহায়তা” পাঠাতে ইচ্ছুক।

ট্রাম্পের পোস্টে আরো বলা হয়েছে, তিনি অঞ্চলের দেশগুলোর প্রতি উচ্চ প্রত্যাশা ও সমর্থনের কথা শুনছেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে হামাস সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে; তা না হলে তাঁর ভাষায় হামাসের পতন “দ্রুত, ক্ষিপ্ত ও নির্মম” হবে।

উল্লেখ্য, ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে এক সংঘাতবিরতি কার্যকর হয়। তবে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় সহিংসতা-ঘটনা বিভিন্নবার পুনরাবৃত্তি হয়েছে এবং এহেন ঘটনার ফলে হতাহতের খবরও পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠী ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিনিধি গাজায় সম্প্রতি কর্মযজ্ঞকে অধিক মাত্রায় হারে প্রাণ-হানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বসেছেন।

ট্রাম্প প্রায়ই হামাসকে হুঁশিয়ারি দেন; তবু প্রশ্ন থেকে যায় — যুক্তরাষ্ট্র বা ভূ-রাজনৈতিক কোন শক্তি এমন কোন সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ নিতে পারবে কিনা, যা ইতিমধ্যে সীমিত মিশনে অহর্নিশ কাজ করে আসা ইসরাইল করতে পারেনি।