Hi

১১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘দল যদি চায়, আমি মুখ্যমন্ত্রী হব’: মিঠুন চক্রবর্তী

মিঠুন চক্রবর্তী। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ফের বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্যে বিজেপির ভরসা এবার অভিনেতা এবং দলের পরিচিত মুখ মিঠুন চক্রবর্তীর ওপর। সোমবার মালদায় দলের বিজয়া সম্মিলনী সভায় তিনি ঘোষণা দেন, প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় তৈরি হবে ‘মিঠুন যোদ্ধা’ নামে বিশেষ দল। এই দলের কাজ হবে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘সন্ত্রাস’-এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে লড়াই করা এবং দলের কর্মীদের তৎক্ষণাৎ সহায়তা করা।

সভায় মিঠুন বলেন, ‘এই লড়াই শেষ লড়াই। ভয় পেলে চলবে না, আমরা লড়ব, জিতব।’ তিনি স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর)-এর প্রসঙ্গও তুলে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন। মিঠুন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন তো কোথাও বলেনি কোনো ভারতীয় মুসলিমের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হবে। তাহলে এই আতঙ্ক কেন?’

মিঠুনকে ঘিরে উচ্ছ্বাসও ছিল চোখে পড়ার মতো। সভায় কিছু কর্মী সরাসরি তাকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে প্রার্থিতার দাবি জানান। জবাবে মিঠুন বলেন, ‘দল যদি চায়, আমি মুখ্যমন্ত্রী হব। দল যাকে বলবে, তিনিই হবেন মুখ্যমন্ত্রী।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ‘মিঠুন যোদ্ধা’ কৌশল মূলত ইমেজ ম্যানেজমেন্ট। রাজ্যের যুব ও গ্রামীণ ভোটব্যাংককে আকৃষ্ট করতে জনপ্রিয় মুখের ব্যবহার করা হলেও, বাস্তব রাজনৈতিক সাফল্য নিশ্চিত হবে কি না, তা এখনো প্রশ্ন। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের গ্রামীণ জেলাগুলিতে এখনও তৃণমূলের প্রভাব বেশি। তাই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা দেখছেন, মিঠুনের নেতৃত্বে এই নতুন উদ্যোগ কতটা ভোটে প্রভাব ফেলবে, সেটাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের বড় প্রশ্ন।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্যটি সংরক্ষন করুন

যাচাইকারীর নাম

jatioaparadh aparadh

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দল যদি চায়, আমি মুখ্যমন্ত্রী হব’: মিঠুন চক্রবর্তী

আপডেট সময় : ১২:৩৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ফের বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্যে বিজেপির ভরসা এবার অভিনেতা এবং দলের পরিচিত মুখ মিঠুন চক্রবর্তীর ওপর। সোমবার মালদায় দলের বিজয়া সম্মিলনী সভায় তিনি ঘোষণা দেন, প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় তৈরি হবে ‘মিঠুন যোদ্ধা’ নামে বিশেষ দল। এই দলের কাজ হবে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘সন্ত্রাস’-এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে লড়াই করা এবং দলের কর্মীদের তৎক্ষণাৎ সহায়তা করা।

সভায় মিঠুন বলেন, ‘এই লড়াই শেষ লড়াই। ভয় পেলে চলবে না, আমরা লড়ব, জিতব।’ তিনি স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর)-এর প্রসঙ্গও তুলে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন। মিঠুন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন তো কোথাও বলেনি কোনো ভারতীয় মুসলিমের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হবে। তাহলে এই আতঙ্ক কেন?’

মিঠুনকে ঘিরে উচ্ছ্বাসও ছিল চোখে পড়ার মতো। সভায় কিছু কর্মী সরাসরি তাকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে প্রার্থিতার দাবি জানান। জবাবে মিঠুন বলেন, ‘দল যদি চায়, আমি মুখ্যমন্ত্রী হব। দল যাকে বলবে, তিনিই হবেন মুখ্যমন্ত্রী।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ‘মিঠুন যোদ্ধা’ কৌশল মূলত ইমেজ ম্যানেজমেন্ট। রাজ্যের যুব ও গ্রামীণ ভোটব্যাংককে আকৃষ্ট করতে জনপ্রিয় মুখের ব্যবহার করা হলেও, বাস্তব রাজনৈতিক সাফল্য নিশ্চিত হবে কি না, তা এখনো প্রশ্ন। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের গ্রামীণ জেলাগুলিতে এখনও তৃণমূলের প্রভাব বেশি। তাই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা দেখছেন, মিঠুনের নেতৃত্বে এই নতুন উদ্যোগ কতটা ভোটে প্রভাব ফেলবে, সেটাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের বড় প্রশ্ন।